Class XI Admission Portal

Class XI Online Admission Application

Apply online for Science, Humanities, Commerce, and Vocational streams. Fill up the form, upload documents, and keep your application ready for school submission.

  • Online Form
  • Merit & Direct Admission
  • Document Upload
  • Print Application
Admissions Open
Apply for Class XI

Students can complete the application online and carry the printout to the school office as instructed.

Rules & Regulations

ক) বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের আচরণ ভদ্র ও বিনীত হওয়া কাম্য। বিদ্যালয়ে কোন প্রকার বিশৃঙ্খল আচরণ করলে এবং বিনা অনুমতিতে ছুটির পূর্বে। বিদ্যালয় ত্যাগ করলে বা করার চেষ্টা করলে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।খ) প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে শ্রেণিকার্য আরম্ভ হওয়ার ২০ মিনিট পূর্বে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে। প্রার্থনা সভায় যোগদান বাধ্যতামূলক।

গ) বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে ছাত্র-ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষের বাইরে অকারণে থাকা চলবে না

ঘ) বিদ্যালয় ভবন, উদ্যান বা শ্রেণি আসবাবপত্রের কোন প্রকার ক্ষতি সাধনের চেষ্টা অথবা কোন আঁচড় কাটা, দাগ দেওয়া, কোন কিছু লেখা ইত্যাদি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে।

৬) টিফিন ব্যতীত শ্রেণিকক্ষের বাইরে খুব প্রয়োজন ছাড়া যাওয়া যাবে না।

চ) বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ব্যবহার কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ।

ছ) সারিবদ্ধভাবে সাইকেল নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে।

জ) বিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে যেতে হবে এবং নিস্তব্দতা বজায় রেখে বই পড়তে হবে।

ঝ) শ্রেণিভিত্তিক দেওয়াল পত্রিকা ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকাশে অংশ গ্রহণ করতে হবে।

ঞ) বিদ্যালয়ের এন.সি.সি. তে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

ট) বিদ্যালয়ের যে কোন খেলায় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।

ঠ) বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে কোনো প্রয়োজনে অফিসে কাজ থাকলে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।

পরীক্ষা ও উত্তীর্ণ হওয়ার ব্যবস্থা।

ক) পরীক্ষায় অনুপস্থিত হলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অনুপস্থিতির উপযুক্ত কারণ যথাসময়ে জানাতে হবে।

খ) নতুন ব্যবস্থায় একক অভীক্ষায় এবং সামগ্রিক অভীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।

গ) পরীক্ষায় অসদ্‌উপায় অবলম্বন করলে পরীক্ষা বাতিল হবে।

“My life is my message”

– M. K. Gandhi

ক) পরীক্ষায় অনুপস্থিত হলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অনুপস্থিতির উপযুক্ত কারণ যথাসময়ে জানাতে হবে।

খ) নতুন ব্যবস্থায় একক অভীক্ষায় এবং সামগ্রিক অভীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।

গ) পরীক্ষায় অসদ্‌উপায় অবলম্বন করলে পরীক্ষা বাতিল হবে।

 আমরা যে শৃঙ্খলা মেনে চলি

 পোশাক

বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রীদের নির্বাচিত পোশাক পরিধান ও পরি চয়পত্র ধারণ আবশ্যিক। পরিচয়পত্র বিদ্যালয় থেকে সংগ্রহ করে পরিধান করতে হবে। পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রদের বিদ্যালয় নির্বাচিত পোশাক, ব্লু প্যান্ট, সাদা জামা, কালো সু, ব্লু মোজা, টাই। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত পোশাক হল নীল-সাদা সালোয়ার কামিজ (নির্ধারিত)।

নির্বাচিত পোশাক ও পরিচয়পত্র ছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের শ্রেণি কক্ষে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। খেলাধূলার জন্য ছাত্রদের হাফ্ প্যান্ট, স্যান্ডো গেঞ্জি, সাদা মোজা সহ কেটস্ প্রয়োজন।

উপস্থিতি

ক) বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার কমপক্ষে ৭৫% হতে হবে।

খ) যে সব ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতির হার কমপক্ষে ৫০% – ৭৫% তারা পর্যদ নির্দিষ্ট ফি দাখিলসহ অসুস্থতা কিংবা অন্যান্য জরুরী সন্তোষজনক কারণ দর্শানের পর পরীক্ষার বসার অনুমতি পেতে পারে।গ) উপস্থিতির হার দশম ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ৫০% এর কম হলে পরীক্ষায় বসার অনুমতি পাবে না। এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীকে পুণরায় দশম ও দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রয়োজনীয় ৭৫% উপস্থিতির লক্ষ্যে শিখনের সুযাগ নিতে হবে।

ঘ) কোনো বিশেষ কারণে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে পরদিনই উপযুক্ত কারণ লিখে দিনলিপি শ্রেণি শিক্ষককে জমা দিতে হবে। কয়েকটি নির্ধারিত পালনীয় দিনে বিদ্যালয়ে অবশ্যই উপস্থিত হতে হবে।

“ওঠো, জাগো, লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থামো না।”

– স্বামী বিবেকানন্দ

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নিয়মাবলী

১। সাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে হলে বিদ্যালয়ের অফিস থেকে নির্দ্ধারিত সময়ের মধ্যে ফর্ম সংগ্রহ করে জমা দিতে হবে। পূরণ করা ফর্ম জমা দেওয়ার সময় পূর্বের বিদ্যালয় প্রধানের শংসাপত্র, মার্কশীট ও অ্যাডমিট কার্ডের জেরক্স ২ কপি করে জমা দিতে হবে।

২। তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতি শিক্ষার্থীদের সরকার নির্ধারিত সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়।

৩। দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠ্যবই প্রদানের ব্যবস্থা আছে।

উচ্চমাধ্যমিক বিভাগ

এই বিদ্যালয়ে উচ্চামধ্যমিক বিভাগে দুই পাঠ্যক্রম চালু আছে:-

১। সাধারণ বিভাগ,

২। বৃত্তিমূলক বিভাগ

সাধারণ বিভাগ: বিজ্ঞান বিভাগ / কলা বিভাগ / বাণিজ্য বিভাগ।

পাঠ্য বিষয়

১। অবশ্য পাঠ্যঃ- বাংলা, ইংরেজী

২। ঐচ্ছিক পাঠ্য:- যে কোন তিনটি / চারটি

গণিত শাস্ত্র, কম্পিউটার এ্যাপ্লিকেশন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, পরিবেশ শিক্ষা।

জীববিদ্যা, সংস্কৃত, পরিব্যয় হিসাব ও আয়কর বিদ্যা, কম্পিউটার সায়েন্স।

ভূগোল, বাণিজ্যিক আইন ও নিরীক্ষা শাস্ত্র।

পদার্থবিদ্যা, পুষ্টি বিজ্ঞান, কারবার বিদ্যা।

রসায়ন শাস্ত্র, ইতিহাস, হিসাবশাস্ত্র।

“বই হল এমন এক মাধ্যম যার সাহায্যে আমরা

বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে সেতু নির্মান করতে পারি।”

সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন

অভিভাবক / অভিভাবিকাদের প্রতি আমাদের আবেদন

১। আপনি সচেতন হোন যাতে আপনার পুত্র/কন্যা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে।

২। নজর দিন যেন সে প্রতিদিনকার বিদ্যালয়ের পড়া তৈরী করে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়।

৩। আপনারা ওদের পিতা-মাতা, প্রত্যহ কাজের ফাঁকে কিছুটা সময় তাদের জন্য বরাদ্দ করুন। কারণ ছেলে-মেয়েদের মানসিক বিকাশে আপনাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

৪। প্রতিমাসে কমপক্ষে একবার বিদ্যালয়ে আসুন এবং ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনার খোঁজ খবর নিন।

৫। আপনার পুত্র / কন্যার উপস্থিতি, আচার-আচরণ, বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ইত্যাদির উপর প্রতিনিয়ত নজর রাখুন।

৬। নিতান্ত বাধ্য না হলে আপনার পুত্র / কন্যার স্কুলে আসা বন্ধ করবেন না।

৭। আপনার পারিবারিক সূচী (আত্মীয় বাড়ী যাওয়া, পারিবারিক অনুষ্ঠান) এমনভাবে সাজান যাতে করে ছেলে-মেয়েদের পড়ার দিন, স্কুলের দিন নষ্ট না হয়।

৮। আপনার পুত্র / কন্যার সামগ্রিক বিকাশের জন্য আপনার কোন সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব থাকলে তা প্রধান শিক্ষক মহাশয়ের নজরে আনুন।

৯। আপনার পুত্র / কন্যার সামনে বয়স্কদের বিষয়ে আলোচনা, স্কুল, শিক্ষক বা গুরুজনদের সমালোচনা, নিন্দা যাতে না হয় সেদিকে অবশ্যই নজর রাখুন।

১০। আপনার আশে-পাশে কোনও অসামাজিক কাজ বা অশ্লীল চিত্র প্রদর্শনী যদি হয় তার প্রতিবাদ করুন, নতুবা প্রশাসনের নজরে আনুন, যাতে আপনার সন্তান কুপথে না যায়।

১১। বিদ্যালয় আপনাদের সম্পদ, তার সামাজিক মর্যাদা রক্ষার দায়িত্বও আপনাদেরই। উক্ত সকল বিষয়ে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা কর্তৃপক্ষের কাম্য।

“ইচ্ছাশক্তি জগৎকে পরিচালিত করিয়া থাকে।”

স্বামী বিবেকানন্দ