আমরা যা বিগত শিক্ষাবর্ষে করতে পেরেছি
১। পুকুরে কিছু অংশে গার্ডওয়াল।
২। বিদ্যালয়ের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
৩। শিবির ভিত্তিক ফুটবল প্রতিযোগিতা।
৪। জি. বাংলা চ্যানেলের সহযোগিতায় দাদাগিরি অডিশান।
৫। তথ্য প্রযুক্তি দপ্তরের সহযোগিতায় ২২শে শ্রাবণ (রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ দিবস) উদ্যাপন।
৬। স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস, নেতাজী জন্ম দিবস, শিক্ষক দিবস-এর বর্ণাঢ্য উদ্যাপন।
৭। বিদ্যালয়ে তৃতীয় তলে এক হলঘর নির্মাণ।
৮। ছাত্রদের জন্য নতুন শৌচাগার নির্মাণ।
৯। ডেঙ্গু সচেতনতা শিবির।
১০। বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির।
১১। সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প।
আমরা যা করতে চাইছি
১। শতবর্ষ উদ্যাপনের প্রস্তুতি এবং বর্ণাঢ্য উদ্বোধন।
২। শ্রেণীভিত্তিক Smart Class Room.
৩। সহ-পাঠক্রমিক কর্মসূচিগুলির বাস্তবায়ন।
৪। পরীক্ষা শিবির।
আমরা যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকি
১। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের অত্যাধুনিক Laboratory -র সুযোগ।
২। বৃত্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ।
৩। শিক্ষামূলক ভ্রমণ।
৪। সমস্ত সরকারি বৃত্তি ও প্রকল্পের সুবিধা।
৫। পোষাক ও পাঠ্য সামগ্রী।
৬। পাঠাগারের সুবিধা।
৭। কম্পিউটার প্রশিক্ষণ।
৮। উৎসাহ ব্যাঞ্জক পুরস্কার।
বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের প্রতি কিছু আবেদন জানিয়েছে । তারা অনুরোধ করেছেন যেন অভিভাবকরা তাদের ছেলে-মেয়েদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠান এবং প্রতিদিনের পড়াশোনার দিকে নজর রাখেন । শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের জন্য অভিভাবকদের সময় দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । এছাড়াও, প্রতি মাসে অন্তত একবার বিদ্যালয়ে এসে তাদের পড়াশোনার খোঁজখবর নিতে এবং উপস্থিতি, আচার-আচরণ ও পরীক্ষার ফলাফলের উপর নজর রাখতে বলা হয়েছে । খুব প্রয়োজন না হলে যেন তাদের স্কুল কামাই না করানো হয় এবং পারিবারিক সূচি এমনভাবে তৈরি করতে বলা হয়েছে যাতে পড়াশোনার ক্ষতি না হয় । যদি তাদের সার্বিক বিকাশের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব থাকে, তবে তা প্রধান শিক্ষকের নজরে আনতে বলা হয়েছে । পাশাপাশি, ছেলে-মেয়েদের সামনে বয়স্ক, স্কুল বা শিক্ষকদের সমালোচনা না করতে এবং আশেপাশে কোনো অসামাজিক বা অশ্লীল কার্যকলাপ হলে তার প্রতিবাদ করতে বা প্রশাসনকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে । সর্বশেষে, বিদ্যালয়কে একটি সম্পদ হিসেবে গণ্য করে তার সামাজিক মর্যাদা রক্ষা করার জন্য সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে.